আশিক: নিজের কথায়
আইটি সেক্টরে নিজের ক্যারিয়ার গড়তে । পাশাপাশি নিজের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে স্বাধীনভাবে কাজ করতে।
কবে Dreams IT Park-এ যোগ দিয়েছেন?
২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে
কেন এসেছিলেন?
আইটি সেক্টরে নিজের ক্যারিয়ার গড়তে । পাশাপাশি নিজের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে স্বাধীনভাবে কাজ করতে।
প্রথম দিনগুলো কেমন ছিল?
প্রথম দিনটি আমার কাছে একটু অন্যরকম ছিল। বিশেষ করে, আমি সিলেটের বাইরে থেকে আসায় ভাষাগত কিছু সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিলাম। তবে প্রথম দিন থেকেই মহসিন ভাই আমাকে এ বিষয়ে অনেক সাহায্য করেছেন। বিশেষ করে, ট্রায়ালের প্রথম দিন থেকেই মহসিন ভাই এবং মালেক ভাই আমাকে অনেক সহযোগিতা করেছেন, যা আমার জন্য সত্যিই অনেক সহায়ক ছিল।
কে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করেছে?
আমাদের প্রিয় মেন্টর আখলাকুল আম্বিয়া রাজু স্যার এমন একটি সুন্দর পরিবেশ তৈরি করে দিয়েছেন, যেখানে সবাই একে অপরকে সহযোগিতা করে। ল্যাব ০২-এর ল্যাব লিডার নাহিদ ভাইও আমাকে অনেক সাহায্য করেছেন। বিশেষ করে মহসিন ভাই, মালেক ভাই এবং বাবুল ভাই আমাকে সবচেয়ে বেশি সহযোগিতা করেছেন। তাঁদের সবার আন্তরিক সহযোগিতা আমার জন্য সত্যিই অনেক মূল্যবান।
প্রথম অর্ডার পাওয়ার অনুভূতি কেমন ছিল?
প্রথম অর্ডার পাওয়ার পর অনুভূতিটা সত্যিই অন্যরকম ছিল। সেই মুহূর্তে নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়ে যায়। মনে হয়েছে, চেষ্টা করলে আমিও পারব এবং নিজের যোগ্যতা দিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে পারব।
আপনার মেন্টর সম্পর্কে লিখুন
আমার মেন্টর আখলাকুল আম্বিয়া রাজু স্যারের কথা বলতে গেলে, তাঁর নৈতিকতা ও মানসিকতার বিষয়টি আমার কাছে সবচেয়ে ভালো লেগেছে। বিশেষ করে, স্যার সবার সঙ্গে একজন বড় ভাইয়ের মতো আচরণ করেন। তাঁর দিকনির্দেশনা, আদেশ ও উপদেশ আমাদের সবাইকে সামনে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা জোগায়।
সব মিলিয়ে এখানকার পরিবেশ কেমন?
সব মিলিয়ে বলতে গেলে, এখানকার পরিবেশ নতুনদের জন্য বেশ সহযোগিতাপূর্ণ। এখানকার সবাই একে অপরকে সাহায্য করতে আন্তরিক। বিশেষ করে, নতুন শিক্ষার্থীদের জন্য নিজের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন কিছু শেখার জন্য এটি একটি সুন্দর পরিবেশ। এখানে সবার সহযোগিতা ও আন্তরিকতা নতুনদের আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে নিজেদের দক্ষতা গড়ে তুলতে অনেক সাহায্য করে।
সবচেয়ে কঠিন কী ছিল?
এখানে আমার কাছে সবচেয়ে কঠিন বিষয় ছিল ভাষাগত সমস্যা। এছাড়াও, ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার শুরু করার জন্য রাত জাগা, নতুন নিয়ম-কানুনের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেওয়া সবকিছুই শুরুতে একটু চ্যালেঞ্জিং ছিল। সব মিলিয়ে, এখন আমি ধীরে ধীরে নিজেকে এই পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি
কী কী শিখেছেন?
আমি এখানে এসে ফ্রিল্যান্সিং কী, কীভাবে কাজ করতে হয় এবং এই সেক্টরে কীভাবে নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তোলা যায়, সে সম্পর্কে ভালো ধারণা পেয়েছি। এছাড়াও, ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পর্কিত ধারণা, বিভিন্ন AI টুলের ব্যবহার এবং বিশেষ করে ক্লায়েন্টদের সঙ্গে কীভাবে সুন্দর ও পেশাদারভাবে যোগাযোগ করতে হয়, সেসব বিষয়ও শিখতে পেরেছি।
এখন কেমন আছেন?
এখন আলহামদুলিল্লাহ, আমি ভালো আছি। পাশাপাশি নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তোলার লক্ষ্যে DIP পরিবারের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছি। এখান থেকে প্রতিনিয়ত নতুন কিছু শেখার এবং নিজেকে আরও দক্ষ করে গড়ে তোলার চেষ্টা করছি।
আপনার স্বপ্ন কী?
আমার স্বপ্ন হলো এই পরিবর্তনশীল প্রযুক্তির যুগে নিজের একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ ক্যারিয়ার গড়ে তোলা। আমি এই সেক্টরে কাজ করার মাধ্যমে প্রতিনিয়ত নতুন কিছু শিখতে চাই, নিজের দক্ষতা বাড়াতে চাই এবং ধীরে ধীরে নিজেকে একজন দক্ষ পেশাজীবী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই।
আমি বিশেষ করে তাদের Dreams IT Park-এ আসার পরামর্শ দেব, যারা নতুন কিছু শিখতে আগ্রহী, কাজ করার মানসিকতা রাখেন এবং নিজের ক্যারিয়ারকে আরও সমৃদ্ধ করতে চান। এখানে এসে নতুন কিছু শেখার পাশাপাশি নিজের দক্ষতা বাড়ানোর এবং ক্যারিয়ার গড়ে তোলার সুযোগ রয়েছে। তাই যারা নিজেকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে চান, তারা Dreams IT Park-এ আসতে পারেন।
আশিক



